২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মোড়, এক অভূতপূর্ব অধ্যায়। স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে বৈষম্যমুক্ত একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন জাগানিয়া এই বিপ্লবের পেছনে রয়েছে হাজারো তরুণের আত্মত্যাগ। কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া একটি সাধারণ আন্দোলন যখন স্বৈরাচার পতনের এক দফায় রূপ নেয়, তখন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া এক অভূতপূর্ব জাতীয় ঐক্যের সাক্ষী হয়। এই লড়াইয়ে অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল দেশের কওমি ও আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। এই তরুণেরা নিজেদের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে প্রমাণ করেছেন—দেশের প্রয়োজনে তারা যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থার তথ্যানুযায়ী, এই আন্দোলনে অন্তত ৭৭ জন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন কয়েক হাজার।
দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সমাজে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মূল স্রোতধারা থেকে কিছুটা বিচ্ছিন্ন বা ভিন্ন চোখে দেখার একটি প্রবণতা ছিল। কিন্তু জুলাই বিপ্লব সেই কৃত্রিম বিভেদের দেয়াল ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা যখন রাজপথে প্রথম হামলার শিকার হন, তখন ঘরে বসে থাকতে পারেননি মাদরাসার ছাত্ররা। ক্ষোভ আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংহতি জানিয়ে তারা কিতাব ছেড়ে রাজপথে নেমে আসেন।
গণমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আন্দোলনের শুরুর দিকেই ঢাকা, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। এটি কেবল কোনো কোটার লড়াই ছিল না, এটি ছিল দীর্ঘদিনের শোষণ, জুলুম আর বাকস্বাধীনতা হরণের বিরুদ্ধে এক পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের দিকে তাকালে দেখা যাবে, ঢাকার যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, মিরপুর, মোহাম্মদপুর এবং বকশীবাজারের মতো এলাকাগুলো ছিল সবচেয়ে সহিংস ও ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে যাত্রাবাড়ী ও চিটাগাং রোড এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। এই সম্মুখ সমরে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন হাজার হাজার মাদরাসা ছাত্র।
লুঙ্গি, কুর্তা আর মাথায় টুপি পরা এই তরুণেরা যখন বুলেটের তোয়াক্কা না করে সাঁজোয়া যানের সামনে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন, তখন তা সাধারণ মানুষের মনে যুগিয়েছিল অসীম সাহস। ৫ই আগস্টের ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে কারফিউ ভেঙে ঢাকার প্রবেশদ্বারগুলোতে মাদরাসা ছাত্রদের ঢল নেমেছিল, যা স্বৈরাচারের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয়। মূলধারার গণমাধ্যমের সূত্রমতে, এই গণঅভ্যুত্থানে প্রাথমিক পর্যায়ে অন্তত ৪৫ জন এবং পরবর্তীতে আলেম-ওলামাদের যৌথ তালিকায় সুনির্দিষ্টভাবে ৭৭ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী ও তরুণ আলিম শহীদ হওয়ার তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েক হাজার। এই সংখ্যাগুলো কেবল কোনো গাণিতিক হিসাব নয়; প্রতিটি সংখ্যার পেছনে লুকিয়ে আছে এক একটি পরিবারের স্বপ্নভঙ্গ, মা-বাবার আর্তনাদ আর দেশের জন্য সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের গল্প। পুলিশের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া কোনো মাদরাসা ছাত্রের নিথর দেহ যখন হাসপাতালের মর্গে পড়েছিল, তখন সেখানে কোনো বিভেদ ছিল না—তিনি ছিলেন এ দেশেরই একজন বীর সন্তান।
মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ভূমিকা কেবল প্রতিরোধেই সীমাবদ্ধ ছিল না। আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে যখন সাধারণ শিক্ষার্থীরা গুলিবিদ্ধ হচ্ছিলেন, হাসপাতালগুলোতে জায়গা সংকুলান হচ্ছিল না, তখন বহু মাদরাসা নিজেদের দরজা উন্মুক্ত করে দিয়েছিল নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে। শিক্ষক ও ছাত্ররা মিলে আহত আন্দোলনকারীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছেন, রক্তদান করেছেন এবং নিজেদের সামান্য সামর্থ্য দিয়ে খাবার ও পানির জোগান দিয়েছেন। এটি ছিল মানবতার এক অনন্য ও গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
জুলাই বিপ্লব শিখিয়েছে, যখন দেশের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে, তখন কওমি, আলিয়া কিংবা সাধারণ শিক্ষার দেয়াল কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায় না। মাদরাসার শিক্ষার্থীরা তাদের রক্ত দিয়ে এ দেশের মাটিতে জাতীয় ঐক্যের এক নতুন বীজ বপন করে গেছেন। ১,৪২৩ জন শহীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে জাতি যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, সেখানে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের এই অবদানকে খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। এখন সময় এসেছে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই শহীদ ও আহত মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সঠিক মূল্যায়ন করার। পুনর্বাসন ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে যেন তারা কোনো ধরনের বৈষম্যের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে। যে বৈষম্যহীন, সাম্য ও ন্যায়ের বাংলাদেশের জন্য তারা জীবন দিয়েছেন, সেই বাংলাদেশে তাদের এই ঋণ চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হবে। রক্তের অক্ষরে লেখা এই একতা ভুলে গেলে চলবে না।
পৃথিবীর বুকে যখন অন্যায়, অপশাসন ও কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে লড়াই হয়েছে এবং পুরনো রাষ্ট্রীয় কাঠমো ভেঙে নতুন শাসনতান্ত্রিক ইমারত গড়ার ডাক এসেছিল, সেখানে ময়দানে সরব ও সক্রিয় ছিল মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। আলজেরিয়া, মিশর, আফগানিস্তান, চেচনিয়া, বসনিয়া-হার্জেগোবিনা, ইরান ও তুরস্কের ইতিহাস তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ। বহু আলিম-ওলামা নিজদেশে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কথা বলায় কারাগারে অন্তরীণ রয়েছেন। অনেকে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বখ্যাত মুহাদ্দিস শায়খ আবুল ফাত্তাহ আবগুদ্দাহ ও মুফাসসিরে কুরআন শায়খ মুহাম্মদ আলী আস-সাবুনী প্রতিবাদী ভূমিকার কারণে নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন এবং ভ্রাতৃপ্রতীম মুসলিম দেশে সমাহিত হয়েছেন।
চিরন্তন প্রতিবাদী
বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের এই চিরন্তন প্রতিবাদী এবং অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকাটি অত্যন্ত গভীর। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত যখনই এ দেশের মানুষের ধর্মীয় মূল্যবোধ, ঐতিহ্য, কিংবা সাধারণ মানুষের অধিকার সংকটে পড়েছে, মাদরাসা শিক্ষাকেন্দ্রগুলো থেকে সবসময়ই তীব্র প্রতিরোধ এসেছে। আগামী দিনেও তারা ময়দানে একইভাবে সরব ও সোচ্চার থাকবে, তার পেছনে কয়েকটি মৌলিক সামাজিক, মনস্তাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে। মাদরাসা শিক্ষার মূল ভিত্তি হলো কুরআন ও হাদিস। ইসলামে অন্যায়, জুলুম এবং ফিতনা ও সামাজিক বিপর্যয় বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াকে কেবল একটি রাজনৈতিক অধিকার নয়, বরং একটি ঈমানি দায়িত্ব হিসেবে শিক্ষা দেওয়া হয়। যেকোনো সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় অন্যায়ের মুখে তারা ঘরে বসে থাকাকে অপরাধ মনে করেন।
বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের যে হাজার বছরের লালিত মুসলিম ঐতিহ্য, সুফিবাদ ও ধর্মীয় সংস্কৃতি—মাদরাসাগুলো সরাসরি তার প্রতিনিধিত্ব করে। পশ্চিমা সংস্কৃতির আগ্রাসন বা এমন কোনো আদর্শ যা এ দেশের মানুষের মৌলিক ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিপন্থী, তা যখনই চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়, মাদরাসা সমাজ তাকে তাদের সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারের ওপর আঘাত হিসেবে গণ্য করে। তারা নিজেদের এই ভূখণ্ডের সিংহভাগ মানুষের ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের “রক্ষাকবচ” মনে করে এবং এই চেতনা আগামী দিনেও তাদের মাঠে নামতে বাধ্য করবে।
ধর্ম, দেশ ও জাতির প্রতি মাদরাসা শিক্ষার্থীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ ও আত্মত্যাগের মানসিকতা বারবার আমাদের বিস্মিত করে। ইতিহাসের নানা সংকটে তারা কেবল দর্শকের ভূমিকায় থাকেনি; বরং নিজেদের বিশ্বাস ও বিবেকের তাড়নায় রাজপথে নেমে এসেছে। তাদের কাছে দেশপ্রেম ও ঈমানি দায়িত্ব পরস্পর বিচ্ছিন্ন নয়; বরং একে অপরের পরিপূরক। এর একটি মর্মস্পর্শী দৃষ্টান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনাগুলো। ২০২১ সালে সেখানে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ১৫ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী শাহাদাত বরণ করেন। এরও আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রাজপথ বহুবার হাফেজে কুরআন ও মাদরাসা শিক্ষার্থীদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে। এসব ঘটনা প্রমাণ করে যে, ন্যায় ও সত্যের প্রশ্নে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা কখনো পিছু হটেনি।
একটি ব্যক্তিগত স্মৃতি
২০২৫ সালের মে মাসে চিকিৎসার প্রয়োজনে আমি থাইল্যান্ডে অবস্থান করছিলাম। এক প্রত্যুষে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আমার হোটেলে এসে জানালেন, জুলাই আন্দোলনে আহত হয়ে ব্যাংককের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিদের মধ্যে একজন গত রাতে ইন্তেকাল করেছেন। সংবাদটি শুনেই আমি তাঁর সঙ্গে হাসপাতালে রওনা হই। হাসপাতালের মর্গে গিয়ে শহীদের নিথর দেহের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর মাগফিরাত ও উচ্চ মর্যাদার জন্য দোয়া করি। এরপর পাশের কক্ষে বসে থাকা তাঁর মা ও বোনের সঙ্গে কথা বলি, তাঁদের সান্ত্বনা দিই এবং সরকারের পক্ষ থেকে এককালীন অনুদান, মাসিক ভাতা ও অন্যান্য সহায়তার আশ্বাস প্রদান করি।
আলাপচারিতায় জানতে পারি, শহীদের বাড়ি নোয়াখালীতে। জীবিকার তাগিদে তিনি চট্টগ্রামে একটি দর্জির দোকানে চাকরি করতেন। জুলাই আন্দোলনের সময় চট্টগ্রামের একটি প্রতিরোধ মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ব্যাংককে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করেন। তাঁর জীবনের আরেকটি দিক আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছিল। তিনি ছিলেন একজন হাফেজে কুরআন এবং কিছুদিন মাদরাসায় লেখাপড়া করেছিলেন। কিন্তু চরম আর্থিক সংকটের কারণে তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়নি। তবুও মাদরাসায় অর্জিত আদর্শ, নৈতিক শিক্ষা এবং সত্য-ন্যায়ের প্রতি অবিচল অবস্থান তাঁর চরিত্রে গভীর ছাপ রেখে গিয়েছিল। অন্যায়, জুলুম ও অসত্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার যে সাহস তিনি দেখিয়েছেন, তার শিকড় ছিল সেই মূল্যবোধে। জুলাই আন্দোলনের আহ্বান যখন আসে, তখন তিনি ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বা জীবিকার হিসাব করেননি। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া একজন সচেতন নাগরিক ও একজন ঈমানদার মানুষের দায়িত্ব। সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি রাজপথে নেমেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।
এই ঘটনা আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য স্মরণ করিয়ে দেয়—মাদরাসা শিক্ষা কেবল ধর্মীয় জ্ঞানার্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা মানুষের মধ্যে নৈতিক সাহস, দায়িত্ববোধ, আত্মত্যাগ এবং সত্যের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার প্রেরণা জাগিয়ে তোলে। অসংখ্য মাদরাসা শিক্ষার্থীর জীবনে আমরা এই মূল্যবোধের বাস্তব প্রতিফলন দেখতে পাই। যে জাতি তার আত্মত্যাগী সন্তানদের স্মরণে রাখে, তাদের অবদানকে যথাযথ মূল্যায়ন করে এবং তাদের আদর্শকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে, সেই জাতিই ভবিষ্যতে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র গঠনের শক্তি অর্জন করে।
পরিশেষে বলা যায়, মাদরাসা কেবল ধর্মীয় কিতাব পড়ার জায়গা নয়, এটি এ দেশের মানুষের নীতি ও নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের এক একটি দুর্গ। ইতিহাস সাক্ষী, যখনই এই দুর্গে আঘাত এসেছে বা দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব হয়েছে, ধর্মীয় চেতনা আহত হয়েছে। তখনই মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকেরা রাজপথে বুক পেতে দিয়েছেন। ভবিষ্যৎ বাংলাদেশেও যখনই কোনো ফিতনা, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন বা স্বৈরতান্ত্রিক শক্তির উত্থান ঘটবে, মাদরাসার শিক্ষার্থী ও আলিম ওলামারা তাদের এই ঐতিহাসিক ও মনস্তাত্ত্বিক দায়বদ্ধতা থেকেই রাজপথে প্রথম সারির পাহারাদার হিসেবে সরব থাকবেন। প্রয়োজনে শাহাদতের নজরানা দেবেন।
লেখক: সাবেক উপদেষ্টা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।



