জমজম পানি: বিশ্বাসের এক অনন্য শেফা

image

মান্থলি বাজারলিস্টে জমজম পানিও এড করে নিন এখন থেকে। আমার মনে হয়,প্রতিটা বাসায় অবশ্যই জমজমের পানি থাকা উচিত। এবং নিয়মিত এই বরকতময় পানি খাওয়া উচিত।

ভেজালের যুগে রোগ-বালাই তো পিছুই ছাড়ে না। কত হাজার টাকা খরচ করি ওষুধের পিছনে। তাও অসুস্থতা থেকে মুক্তি মিলে না৷ আমরা অবশ্যই ট্রিটমেন্ট নিবো,ওষুধ খাবো। এটা সুন্নাহ! পাশাপাশি মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত বরকতময় জমজমের পানি দিয়ে শেফা পাওয়ার চেষ্টা করা।

স্বয়ং আল্লাহর রাসুল ﷺ বলেছেন, জমজমের পানি বরকতময়। এতে শেফা আছে। এই পানি যে-ই উদ্দেশ্যে পান করা হয়,আল্লাহ সে-ই উদ্দেশ্য পূরণ করেন। আল্লাহর রাসুল কখনোই মিথ্যা বলতে পারেন না। আমরা যদি তাঁর হাদিসের উপর দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে আমল করি,ইনশাআল্লাহ ফল পাবো।

আমার ব্যক্তিগত জীবনে জমজমের পানি খেয়ে যে দুআ করেছি,আল্লাহ কবুল করে নিয়েছেন। বড় বড় আলেমদের দ্বারাও এটা পরীক্ষিত আলহামদুলিল্লাহ। কত কত সিহরের রোগী, ক্যান্সারের রোগী জমজমের পানির মাধ্যমে পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভ করেছেন। এই পানি বিস্ময়কর, বরকতময়!

তাই নিয়মিত জমজমের পানি খাবেন। অল্প হলেও নিয়মিত খাবেন। মুখে,মাথায় ছিটিয়ে দিবেন। যারা হজ্ব-উমরাহ করতে যাবেন,অনেক বেশি বেশি জমজম খাবেন। যতবারই খাবেন, কোনো না কোনো নিয়্যাতে খাবেন। আল্লাহ অবশ্যই তা পূর্ণ করে দিবেন।

আমার হাতে যদি ৫০০৳ দিয়ে যা খুশি কিনতে বলে,আমি অনেক জরুরি প্রয়োজন বাদ দিয়ে জমজমের পানি কিনবো। কারণ ওই জমজমের পানি খেয়ে দুআ করলে বাকি প্রয়োজনও আল্লাহ পূরণ করে দিবেন। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা আমাকে,আমাদের সবাইকে বছরের বারোমাসের,প্রতিমাসের সাতটা দিনই জমজমের পানির উত্তম রিজিকে রাখুন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের ফলো করুন